ছাত্রলীগে জামায়াত-শিবিরের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক : সাজেদা 
ঢাকা, ২৭ জুলাই, ফোকাস বাংলা নিউজ : আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী বলেছেন, ছাত্রলীগে জামায়াত-শিবির কর্মীদের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে হবে। আর এই জন্য সংগঠনের সদস্যদের পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক করতে হবে।
মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ ছাত্রলীগের সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
সাজেদা চৌধুরী বলেন, ছাত্রশিবির ছাত্রলীগে অনুপ্রবেশ করে নানা অঘটন ঘটাচ্ছে। তারা লুটপাটসহ নানা অপকর্ম করে যাচ্ছে। ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের অবশ্যই ছবিসহ পরিচয়পত্র ছবি থাকতে হবে। জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা যাতে দলে ঢুকতে না পারে সে জন্য ছাত্রলীগ কর্মীদের সচেতন হওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।
যুদ্ধপরাধীদের বিচার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, স্বাধীন বাংলার মাটিতে বঙ্গবন্ধু হত্যার খুনিদের বিচারকাজ সম্পন্ন হয়েছে। অবিলম্বে যুদ্ধপরাধীদের বিচারের প্রক্রিয়াও শেষ হবে। তবে এসকল কর্মকান্ড সফল করতে ছাত্রলীগকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে।
টেন্ডার ও চাঁদাবাজি প্রসঙ্গে সংসদ উপনেতা বলেন, ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের টেন্ডারবাজি ও চাঁদাবাজির সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। নিজেদের মধ্যে যারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে তাদেরকে অবশ্যই খুঁজে বের করতে হবে। আগামীতে ব্যালটের মাধ্যমে সংগঠনের নির্বাচন করারও পরামর্শ দেন তিনি । তিনি আরো বলেন, এখন থেকে ছাত্রলীগের নেতৃত্ব অবিবাহিতদের হাতে থাকবে। কোনো নেতা বা সদস্যেরই বয়সসীমা ২৯ বছরে বেশি হবে না। মেধাবীরাই নেতৃত্বে থাকবেন।
ছাত্রলীগের গৌরব উজ্জল ইতিহাস ধরে রাখার আহ্বান জানিয়ে সাজেদা বলেন, ছাত্রলীগ করবে যে, সে মাথা নিচু করে চলবে, বিনয়ের সঙ্গে চলবে। আবার যখন অন্যায় দেখবে এবং আন্দোলনের সময় আসবে তখন রুখে দাঁড়াবে। এমন কোনো কাজ করা যাবে না যাতে দল ও সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়।
ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাহমুদ হাসান রিপনের সভাপতিত্বে ছাত্রলীগের ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শাখার সম্মেলন উদ্বোধনের সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এম এ আজিজ, সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জেল হোসেন চৌধুরী মায়া, নজরুল ইসলাম বাবু এমপি প্রমূখ।
উল্লেখ্য, দীর্ঘ ৮ বছর পর এই সম্মেলনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের গুরুত্বপূর্ণ দুটি পদের জন্য ৫০টি ফরম বিক্রি হয়েছে। এর মধ্যে সভাপতি পদের জন্য ২২টি ও সাধারণ সম্পাদকের পদের জন্য ২৮টি ফরম বিক্রি হয়েছে। এদিকে, ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি পদের জন্য ৪১ টি ও সাধারণ সম্পাদকের পদের জন্য ৫৮ টি ফরম বিক্রি হয়েছে।
শাকিল/ফোকাস বাংলা/১৩০০ঘ./জেডআর/শা খা বর্ণ
|
|
|